এই সময়ে বাজারজাত চিনিযুক্ত কোল্ড ড্রিংকস বা উচ্চ ক্যালরির খাবারের পরিবর্তে প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর পানীয় গ্রহণ করলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।
ওজন কমাতে
ওজন কমানোর চেষ্টায় অনেকেই খাবার কমিয়ে দেন বা প্রিয় খাবার বাদ দেন। এতে দ্রুত ওজন কমলেও শরীরে পুষ্টির ঘাটতি তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
ওজন কমাতে লাউ ভীষণ উপকারী। কারণ এতে ক্যালরি কম, জলীয় অংশ বেশি (প্রায় ৯৬%) এবং প্রচুর ফাইবার থাকে, যা পেট ভরা রাখে, ক্ষুধা কমায়, হজমশক্তি বাড়ায় এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে।
ইদানীং পুষ্টিবিদদের মধ্যে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে। কাঁচকলায় প্রচুর পরিমাণে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ও উপকারী ফাইবার ‘পেকটিন’ পাওয়া যায়।
আপনার সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি, অফিস পৌঁছাতে দেরি। সেই সঙ্গে স্বাভাবিক নিয়মে বাড়ি ফিরতেও দেরি হওয়ার কথা।
উৎসব আয়োজন কিংবা বিশেষ দিনে যে পেটভরে খাবেন তার উপায় নেই। কদিন ভালোমন্দ খেলেই ওজন মাপার মেশিন জানান দেয় শরীরের ওজন বেড়েছে ২-৩ কেজি। বাড়তি ওজন নিয়ে মন খারাপ করা ছাড়া উপায় থাকে না।
শরীর সুস্থ ও ফিট থাকার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায়গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে হাঁটা। হৃদ্যন্ত্রকে সুস্থ রাখা থেকে শুরু করে মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখা—সব কিছুতেই উপকারে আসতে পারে হাঁটাহাঁটি। নিয়মিত হাঁটা অতিরিক্ত ক্যালরি ঝরাতে সাহায্য করে এবং ওজন কমায়। কিন্তু আমরা তো সবসময়ই হাঁটি।
ওজন কমিয়ে সুন্দর ফিগার পাওয়ার লক্ষ্য অনেকেরই থাকে। আর তাই শুরু করেন ডায়েট। কিন্তু ওজন কিছুটা কমলে একটি সমস্যা দেখা যায়। সেটি হলো ত্বক ঝুলে যাওয়া। ওজন কমে যাওয়ার পর ত্বক ঝুলে গেলে তা দেখতে ভালো দেখায় না। বিষয়টি অনেকের জন্য অস্বস্তিকরও হয়।
নিয়মিত ঘুম, পর্যাপ্ত পানি পান এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ ভুঁড়ি কমাতে সহায়ক।
ওজন কমাতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস গ্রহণের বিকল্প নেই। ক্ষুধা লাগুক আর নাই বা লাগুক, নাস্তা খাওয়া হয় একটু পরপরই। ফলে অতিরিক্ত নাস্তা খাওয়ার ফলস্বরূপ ওজন বাড়ে! কিন্তু আপনি যদি নাস্তা খেয়েও ওজন কমাতে চান তাহলে বেছে নিন বিশেষ কিছু খাবার।